Thursday, July 26, 2018

জীবন বদলে দেবে ১০ বাক্য!




একটু সময় নিয়ে চিন্তা করুন তো, আমরা যে স্বপ্নগুলো দেখি তা কি বিশ্বাস করি? সব হয়তো করি না, কিছু কিছু করি। কারণ, আমরা বুঝতে পারি কোনগুলো বাস্তব হতে পারে আর কোনগুলো পারে না। স্বপ্ন হলো আমাদের অবচেতন মনের ক্রিয়ার ফল। প্রতিদিন প্রায় ৬৫০০০ চিন্তা মনে আসে আমাদের যার অধিকাংশই নেতিবাচক। শিক্ষাদীক্ষার ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে বেশিরভাগ চিন্তাকেই অবদমন করি আমরা যা পরে স্বপ্ন হয়ে ভেসে ওঠে মনের পর্দায়। কতোজন বিশ্বাস করি যে স্বপ্ন পূরণ সম্ভব? খুব কম সংখ্যক,তাই না? পূরণযোগ্য স্বপ্নগুলোকে পরিচর্যা করলে তা সত্য হওয়া সম্ভব। আসলে আমাদের সংশয় এটি বিশ্বাস করতে বাধা দেয়। আমরা কেবল স্বপ্ন দেখেই খালাস, তা পূরণের জন্য পরিশ্রম করার চিন্তাই হয়তো মাথায় আসে না। প্রয়াত বিজ্ঞানী এ পি জে আবুল কালাম বলেছিলেন, ‘স্বপ্ন তা নয় যা ঘুমের মধ্যে দেখা দেয়,স্বপ্ন সেটাই যা ঘুমুতে দেয় না।’
তিনি জীবনের লক্ষ্যকে বলেছেন স্বপ্ন যা জেগে দেখতে হয় এবং পূরণের জন্য কাজ করতে হয়। বেশিরভাগ মানুষেরই এই লক্ষ্য অর্জন হয় না। কারণ, তারা অনিশ্চয়তায় ভোগে,এবং নিজেকে সেভাবে প্রস্তুত করে। আমি আগেই বলেছি যে শব্দের আছে জাদুকরী ক্ষমতা। আপনি নিজেকে যা বলবেন আপনি আসলে সেটাই। তো নিজেকে ইতিবাচক কথা বলে দেখুন জাদুর মতো কাজ করবে। আপনার উচ্চারিত প্রতিটি শব্দ মস্তিষ্ক বিশ্বাস করে। আপনাকে প্রতিনিয়ত ব্রেইনওয়াশ করা হচ্ছে অন্যদের জন্য। ফলে আপনি আটকা পড়ে যাচ্ছেন ব্যর্থতার চোরাবালিতে। এবার সফলতার জন্য নিজেকে ব্রেইনওয়াশ করুন। নিজেকে প্রতিদিন ইতিবাচক কথা শোনান, তাহলে মস্তিষ্ক সেগুলো বিশ্বাস করতে শুরু করবে। আর ফলাফল দেখতে পাবেন অচিরেই। তো চলুন দেখে নেই জীবন বদলে দেয়ার মতো ১০ টি বাক্য।
আমি পারবোঃ বিশ্বাসই অর্ধেক পথ এগিয়ে দেবে আপনাকে। বিশ্বাস করুন যে আপনি পারবেন, যে বাধাই আসুক তা জয় করবেন। আপনি নিজেকে বলুন যে আপনি পারবেন। নিজেকে না বললে বিশ্বাস আসবে না। বিশ্বাসে ঘাটতি থাকলে কোনো কিছুই সম্ভব নয়।
আমি আত্মবিশ্বাসীঃ আপনি সাফল্যার্জনে আত্মবিশ্বাসী। আপনার আর সাফল্যের মধ্যে একমাত্র সেতু হলো আত্মবিশ্বাস। চারদিকের অস্থিরতা আপনাকে বাধা দিতে চাইবে। কিন্তু আত্মবিশ্বাস থাকলে আপনি সাফল্যার্জনে হবেন অপ্রতিরোধ্য। আত্মবিশ্বাস ছাড়া মানুষ কেবল একটি ফ্রেম ছাড়া কিছু নয়। ফ্রেমটি আপনার কাছে মূল্যবান নাকি ছবিটা? ছবিটা ফ্রেমের মধ্যে রাখলেই তা দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়ে উঠবে। তাই নিজেকে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে দিন এবং তা নিজেকে শোনান।
আমি অবশ্যই করবোঃ অলসতার মতো পচা কিছু নেই। এটি মানুষকে সামনে এগোতে দেয় না। জীবন বহতা নদীর মতো, নদীতে জল আটকে থাকে না, বয়ে চলে। তেমনি কাজ করলে জীবনও বয়ে চলবে অনন্তের পানে। কখনো পিছু হটবেন না। নিজেকে বলুন যে আপনি পারবেন এবং করবেন।
আমি নিশ্চিতঃ যা করবেন তা নিশ্চিত হয়েই করবেন। জেনেশুনে এগোন। না জানাটাই বরঞ্চ কষ্টকর। দ্বিধাকে জীবন থেকে মুছে ফেলুন। দ্বিধার পরিমাণ বেশি হলে কাজটি বাদ দিন। তবে ঝুঁকি ছাড়া সফলতা অর্জন অসম্ভব। আপনি যে নিশ্চিত কোনো বিষয়ে সেটা নিজেকে বারবার বলুন। সাফল্য ছুটে আসবে।
আমি চাইঃ নিজের চাওয়াটা জানুন,বুঝুন। সেটি যেনো অন্যের ক্ষতি না করে। নিশ্চিত হয়ে গেলে নিজেকে বলুন এবং আপনার দিকে আকর্ষণ করুন। বারবার বললে তা আপনার দিকে আকৃষ্ট হবেই। দৃঢ়ভাবে বলুন ও প্রতিচ্ছবি তৈরি করুন। চাওয়াটি খুব দ্রুত পাওয়া হয়ে যাবে।
আমি সবচেয়ে ভালোটিই চাইঃ কথায় আছে, ‘চাওয়ার মতো করে চাইলে ঈশ্বরকেও পাওয়া যায়।’ যা চান তা যেনো সর্বোত্তম হয়, এটা মনে রাখবেন। তার জন্য কিন্তু সর্বোত্তম পরিশ্রমটুকু দিতে কার্পণ্য করবেন না। ক্রমাগত নিজেকে বলতে থাকুন, সর্বোত্তম জিনিসটিই পেয়ে যাবেন।
আমি সমর্পিতঃ কোনো কাজের জন্য সমর্পণ সবচেয়ে জরুরী। এর মূল্য অনেক বেশি। আপনার চাওয়াটিকে পাওয়ায় পরিণত করতে চাইলে সমর্পণের দারস্থ হতে হবে। কোনো বাধা দমাতে পারবে না আপনাকে। এমন কোনো শক্তি নেই যা কোনো সৎ চাওয়াকে ব্যর্থ করতে পারে।
সময় আছেঃ সময় নেই বলবেন না কখনো। মানে আপনি যদি কাজটি করতে চান তো সময় স্বল্পতার দোহাই দেবেন না। সময় দেয়া কঠিন কোনো বিষয় নয়। দেখুন, সফল মানুষেরা কতো শতো কাজ করেন স্বল্প সময়ের মধ্যে। এখানে ইচ্ছাশক্তি গুরুত্বপূর্ণ, অন্য কিছু নয়। কাজকে সময় দিন, কাজও আপনাকে সুন্দর ফলাফল এনে দেবে।
আমি জানিঃ ‘আমি জানি না’ বাক্যটি কখনো বলবেন না। পরিবর্তে বলুন,’আমি জানি।’ এটি আপনার আত্মবিশ্বাসের পালে হাওয়া লাগাবে। কী জানেন আপনি? আপনি জানেন যে আপনি লক্ষ্যার্জনে সফল হবেন। এটা বিশ্বাস করে প্রতিদিন বারবার নিজেকে বলতে থাকুন।
আমি প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ হচ্ছিঃ খারাপ দোষগুলো ছাড়া আসলে হারানোর কিছু নেই। তবে ভালো গুণগুলো অর্জনের যথেষ্ট সুযোগ আছে। ভাবুন,প্রতিদিন ভালোত্ব দিয়ে ভরে উঠছে আপনার জীবন। সেই আনন্দ ছড়িয়ে যাচ্ছে সবখানে। অনুভব করুন সমৃদ্ধময় প্রশান্তি। নিজের সাথে কথা বলুন। বলুন আপনি প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ হচ্ছেন।
উপরিউক্ত ১০ টি বাক্য নিয়মিত চর্চা করলে আপনার জীবন বদলে যাবে অবিশ্বাস্যভাবে। বিজ্ঞান বলে যে কোনো কিছু ২১ দিন একটানা করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে। কেমন হয় যদি সফলতাই অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়?
তথ্যসূত্র: বিডি মোটিভেটর ডটকম।

Wednesday, July 25, 2018

পাকা পেঁপে মিষ্টি হলে ডায়াবেটিস রোগির জন্য ক্ষতিকর নয়।



পাকা পেঁপে মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর নয়!
ডায়াবেটিস মানেই সবরকম মিষ্টি খাবারকে বিদায় জানাতে হয়। এমনকি মিষ্টি জাতীয় ফলও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ পড়ে। কারণ বেশিরভাগ লোকেরই ধারণা, মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে ব্লাড সুগারের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। কিন্তু আমরা কয় জন জানি যে, এমন কিছু ফল আছে, যা আমাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে! যেমন, পেঁপের কথাই ধরা যাক।
পেঁপে ডায়াবেটিসের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুব ভালো কাজ দেয়। খেতে মিষ্টি হলেও, এই ফলটি কিন্তু কোনওভাবেই সুগারের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে না। যদিও লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য একদমই ভালো নয়। তাহলে আর অপেক্ষা কেন, দেখে নেওয়া যাক কিভাবে পেঁপে দারুণ ভাবে কাজ করে ডায়াবেটিসের সমস্যায়-
শর্করার পরিমাণ খুবই কম থাকে
পেঁপের মধ্যে সুগারের পরিমাণ খুবই কম থাকে। প্রতি এক কাপ পেঁপেতে ৮.৩ গ্রাম মিষ্টি থাকে। তাছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে পেঁপে টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোধ করতে দারুণভাবে সাহায্য করে। পেঁপের মধ্যে ‘পাপাইন’ নামক এক ধরনের এনজাইম থাকে, যা আমাদের শরীরকে ভিতর থেকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং ডায়াবেটিস সহ নানা রোগের থেকে বাঁচায়।
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন পাওয়া যায়
পেঁপের মধ্যে ভিটামিন এবং ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদিও প্রচুর পরিমাণে থাকে। এখানেই শেষ নয়, পেঁপে যেহেতু হাইপোগ্লাইকেমিক বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তাই হৃদযন্ত্রের যত্নেও দারুণ উপকারী এই ফল। সুস্থ থাকতে ভুলেও উত্তর দিকে মাথা করে ঘুমোবেন না যেন? ভুলেও এবার থেকে লেবুর খোসা ফেলে দেবেন না যেন! ঘরের প্রতিটি কোণায় পিঁয়াজ রাখলে কী হতে পারে জানেন?
ফাইবার সমৃদ্ধ
পেঁপের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে, যার ফলে খিদের সময় এই ফলটি খেলে অনেকক্ষণ যেমন পেট ভরা থাকে, তেমনি শরীরও উপকারী উপাদান দ্বারা পরিপুষ্ট হয়ে ওঠে।
সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
পেঁপে আমাদের শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বের করে দিতে সাহায্য করে। যার ফলে আমাদের শরীরে ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগ বাসা বাঁধতে পারে না। তবে, শুধুমাত্র পেঁপে নয়। জাম, অ্যাভোকাডো, তরমুজ, প্লাম এবং পেয়ারাও ডায়াবেটিস রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই, ডায়াবেটিসকে আর ভয় না পেয়ে, রোগটিকে কাবু করতে প্রতিদিন পরিমাণ মতো ফল খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।
.........ধন্যবাদ 

যে ছেলেটি কখনো হার মানেনি – একটি অনুপ্রেরণামূলক বাংলা গল্প

  যে ছেলেটি কখনো হার মানেনি – একটি অনুপ্রেরণামূলক বাংলা গল্প SEO Title: যে ছেলেটি কখনো হার মানেনি | অনুপ্রেরণামূলক বাংলা গল্প Focus Keywo...