Tuesday, November 22, 2016

জীবনের কাছে হেরে গেলাম Post BY. তুহিন

আজ সত্যিই আমি অপরিচিত নিজের কাছে
হারিয়ে ফেলেছি আমি, আমার আমি কে
ছোট্ট কিছু স্বপ্ন ছিল বাস্ততা স্বপ্ন গুলো কে
বদলে দিল
আজ কষ্ট হচ্ছে না , দুঃখও নেই আমার ,
না হয় হেরে গেলাম জীবনের কাছে এই তো ??
একদিন আমিও তোমার কাছে স্মৃতি হয়ে যাবো
ভুল করেও হয়তো মনে পরবে না ,
ভাববে না কোন একজন ছিল
যে তোমায় তার পৃথিবী ভাবতো ,
হয়তো কিছু পুরনো স্মৃতি ভেবে
হাজারো নতুন স্মৃতির চাঁদরে ডেকে দেবে আমাকে
কষ্ট নেই তুমি ভুলে যাবে আমায়
হয়তো বাস্তবতা তোমায় বদলে দিয়েছে
তুমি নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শিখে গেছ ।
সত্যিই তোমার তুলনা তুমি
খেলেছ আমার আবেগ গুলো নিয়ে
বদলে দিয়েছ কষ্টের রং দিয়ে আমার সোনালি
স্বপ্ন গুলো ।
তবুও তুমি ভালো থেকো
যতটা ভালো থাকলে আর আমায় মনে পরবে না

Wednesday, August 24, 2016

পল্লী কবি জসিম উদ্দিন

জসীম উদ্দীন (জানুয়ারি ১, ১৯০৩ - মার্চ ১৩, ১৯৭৬) একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি। তিনি বাংলাদেশে 'পল্লী কবি' হিসেবে পরিচিত। তাঁর লেখা কবর কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় অবদান। পুরো নাম জসীম উদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীম উদ্দীন নামেই পরিচিত।
জীবন বৃত্তান্তঃ
তিনি ১৯০৩ সনের পহেলা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার বাড়ি ছিলো একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট। জসীম উদ্দীন ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল, ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে পড়ালেখা করেন। এখান থেকে তিনি তার প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১৯২১ সনে উত্তীর্ন হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি. এ. এবং এম. এ. শেষ করেন যথাক্রমে ১৯২৯ এবং ১৯৩১ সনে। ১৯৩৩ সনে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগদেন। এরপর ১৯৩৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সনে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করেন।
তিনি ১৩ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাকে তার নিজ গ্রাম বিমলগুহে সমাধিস্থ করা হয়।
রচনাবলীঃ
কাব্যগ্রন্থ
রাখালী (১৯২৭)
নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯)
বালু চর (১৯৩০)
ধানখেত (১৯৩৩)
সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪)
হাসু (১৯৩৮)
রঙিলা নায়ের মাঝি(১৯৩৫)
রুপবতি (১৯৪৬)
মাটির কান্না (১৯৫১)
এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬)
সকিনা (১৯৫৯)
সুচয়নী (১৯৬১)
ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২)
মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩)
হলুদ বরণী (১৯৬৬)
জলে লেখন (১৯৬৯)
কাফনের মিছিল (১৯৮৮)
পুরস্কারঃ
প্রেসিডেন্টস এওয়ার্ড ফর প্রাইড অফ পারফরমেন্স ১৯৫৮
একুশে পদক ১৯৭৬
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ১৯৭৮ (মরণোত্তর)
১৯৭৪ সনে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন।
রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট ডিগ্রি (১৯৬৯

যে ছেলেটি কখনো হার মানেনি – একটি অনুপ্রেরণামূলক বাংলা গল্প

  যে ছেলেটি কখনো হার মানেনি – একটি অনুপ্রেরণামূলক বাংলা গল্প SEO Title: যে ছেলেটি কখনো হার মানেনি | অনুপ্রেরণামূলক বাংলা গল্প Focus Keywo...